গ্রাম্য লোকেরা সবসময়ই অপমানজনকভাবে নত হয়ে অদ্ভুত আচরণ করতে ভালোবাসে।
ইচ্ছে করে কিছু পশ্চিমা লোকের পছন্দের তথাকথিত “পূর্বদেশীয় সুন্দরী” বেছে নিয়ে নাকি উন্নত মানের সৌন্দর্য প্রদর্শন করা হচ্ছে? তাহলে কি, আমাদের পূর্বদেশীয় নারীরা বেশিরভাগই এমন চেহারার? দুঃখিত, অন্তত আমি এবং আমার দেখা অধিকাংশ নারী, এ রকম কোনো “উন্নত মুখাবয়ব” নিয়ে জন্মাইনি। এটা কি পূর্বদেশীয় নারীদের প্রতিনিধিত্ব করে? বরং এটা তোমাদের প্রভুর সৌন্দর্যবোধের প্রতিফলন। কিন্তু তোমাদের প্রভু তো আমরা নই, তাই তোমাদের ওই উন্নত সৌন্দর্যবোধ আমাদের গায়ে মেনে নিতে পারি না। প্রস্তুতি ক্লাস নিয়ে কিছু বলছি না, যারা বিদেশে যায় তাদের তো আমরা দেখি না। কিন্তু দেশে থেকেও যদি এইরকম করো, তাহলে সেটা শুধু নিচু মনমানসিকতার নয়, বরং লজ্জাজনকও বটে। অন্তত নেট-তারকারা তোমাদের মতো সাংস্কৃতিক দাসদের চেয়ে হাজার গুণে ভালো। নিজেদের ছোট করে, পশ্চিমাদের খুশি করে খুব সুখ পাচ্ছো, তাই তো? বিদেশে পড়ার সুযোগ কিছু বেশি পাবে ভেবেছো? বিদেশীদের দেখাতে চাইছো যে চীনা নারীরা নাকি এমন উন্নত মুখাবয়বেরই হয়? নিজেদের দেশে তো লজ্জা-লজ্জা করে, আর বিদেশে গিয়ে অপমান বয়ে আনো। তোমাদের মনোবৃত্তি আসলে শাস্তিযোগ্য, কর্মে তো একটুও উন্নত নও। এ কেমন যুগে বেঁচে আছো, এখনো এসব? এতটা সেকেলে কি? তোমরা তো একেবারে অজপাড়ার মতো আচরণ করো, বুঝেছো? এ বছর শরৎ উৎসবের সময় তোমরা দেশে থেকো না, বিদেশে চলে যাও—ওইখানে নাকি চাঁদ আরও বড়, আরও গোল। পিএস: মন্তব্যে দয়া করে অজপাড়ার স্কুলের নাম এনো না। ধন্যবাদ। “দীর্ঘ রাত্রির দেশ”—অজপাড়া লোকজন তো হাঁটু গেড়ে থেকেই আজব কাণ্ড করতে পছন্দ করে। এখনো লেখা চলছে, একটু অপেক্ষা করুন। নতুন কিছু এলে পাতা রিফ্রেশ করে সর্বশেষ আপডেট পেতে পারবেন!